ছেলে মেয়েদের ভালোবাসার গল্প
মেয়ে মানুষ কখনো একরূপী হয় না, তারা বহুরূপী হয়... শুধু সময়, স্থান, পরিস্থিতি ও ব্যক্তির আচরণের উপর ভিত্তি করে তারা নিজেদের রূপ বদল করে !!

ছেলে মেয়েদের ভালোবাসার গল্প

ভালোবাসার গল্প:

মেয়ে মানুষ কখনো একরূপী হয় না, তারা বহুরূপী হয়… শুধু সময়, স্থান, পরিস্থিতি ও ব্যক্তির আচরণের উপর ভিত্তি করে তারা নিজেদের রূপ বদল করে !!

মেয়েরা খেলার পুতুল হয়, রাগি হয়, স্বার্থপর হয়, মায়াবতী হয়, উদারমনা হয়, মমতাময়ী হয়, ঝগড়াটে হয়, আবার আদরের পাগলীও হয়… সবকিছুই একটা মেয়ের মধ্যে সুপ্ত অবস্থায় থাকে… শুধু আপনাকে খুঁজে নিতে হবে আপনি তাকে কোন রূপে দেখতে চান !!

একটা মেয়ের কাছে আপনি কখনো ফেরেশতা হতে পারেন… কখনো ভালো বন্ধু হতে পারেন… কখনো ভালো বাবা হতে পারেন… কখনো ভালো স্বামী হতে পারেন… কখনো আবার কাপুরুষও হতে পারেন… সবকিছুই নির্ভর করে আপনি তার সাথে কেমন আচরণ করেছেন !!

কোনো মেয়েই নিজ থেকে তার খারাপ রূপটা কখনো প্রকাশ করে না যদি আপনি তাকে বাধ্য না করান… আবার কোনো মেয়েই আপনাকে উজার করে ভালোবাসবে না, যদি আপনি তার কাছে নিজেকে সেইভাবে উপস্থাপন করতে না পারেন !!

একটা মেয়ে যতই ভালো হোক না কেনো, তার সাথে আপনি খারাপ আচরণ করলে মেয়েটা সারাজীবন মনে রাখবে, এবং আপনাকে একটু হলেও ফিডব্যাক দিবে… অপরদিকে একটা মেয়ে যতই খারাপ হোক, আপনি ভালো আচরণ করলে অবশ্যই ভালো কিছু ফেরত দিবে !!

ছেলেদের ক্ষেত্রে এইদিক থেকে একটু ব্যতিক্রম… একটা মেয়ে যদি কোনো ছেলের সাথে খারাপ আচরণ করে, তাহলে ছেলেরা এসব মনে রাখে না… মেয়েটার কথা ভেবে হলেও ছেলেরা মেয়েদের সহজে ক্ষতি করতে চায় না… তখনই একটা ছেলে ক্ষতি করতে যায়, যখন মেয়েটা অপরাধের সীমা অতিক্রম করে ফেলে !!

সব বাবার কাছেই তার মেয়ে রাজকন্যা, কিন্তু সব স্বামীর কাছে মেয়েরা রাজরানী নয়… তাই বলে এমনটা নয় যে, কোনো মেয়েই স্বামীর কাছে রাজরানী হতে পারেনি… সব প্রেমিকের কাছে প্রেমিকা খারাপ নয়, তেমনি সব প্রেমিকার কাছেও প্রেমিক কাপুরুষ নয়… অর্থাৎ আপনি যেমন, অপর মানুষটার চোখে আপনি তেমন !!

তাই কবি বলেছেন, ‘মেয়েরা হলো পানির মতো… তাদের যে পাত্রে রাখা হয়, তারা সেই পাত্রের আকার ধারণ করে’… অর্থাৎ একটা মেয়ের চোখে আপনি সবকিছুই হতে পারেন, শুধু আপনার ব্যবহার অনুযায়ী আপনি তার কাছে তেমন পুরুষ !!”

পুরুষকে কোন নারী কখনো বিয়ে করেনি- বিয়ে করেছে তার সফলতা আর সামর্থ্য কে! এই কথা বলা সবচেয়ে কালো পুরুষটিও জীবনে সফল হতে চায়- কোন এক সুন্দরী নারীকে বিয়ে করার জন্যে।

অস্বীকার করতে পারবেন কোন পুরুষ? জীবনে সফল হতে পারলে আপনিও কোন কালো মেয়েকে বিয়ে করবেন না বস।সুন্দরী মেয়েটি আপনাকে রিজেক্ট করলেও আপনি প্রশ্ন ছুড়ে দিবেন- কি নেই আমার?

সব রকম ক্ষমতা খাটিয়ে হলেও সুন্দরী মেয়েটিকে বউ বানাবেন।তাহলে সেখানে মেয়েটির কি দোষ থাকলো?

আঙ্গুল টা অন্যের দিকে তুলার আগে মনে রাখবেন – বাকী আঙুল গুলো নিজের দিকেই থাকে।

একটু সহজ হলেই আপনি বোকা

একটু সহজ হলেই আপনি বোকা।একটু কঠিন হলেই আপনি খারাপ।একটু বেশি কথা বললেই আপনি বাচাল।একটু কম কথা বললেই আপনার ভাব বেশি।একটু ভাল পোষাক পড়লেই আপনার বড়লোকি চালচলন।উচিত কথা বলতে গেলে আপনি বেশি কথা বলেন এবং বেশি বোঝেন।মন্দ লোকদের এড়িয়ে চললে আপনি অহংকারী।

কে কি বললো,কে কি ভাবলো,এসব নিয়ে যদি পড়ে থাকেন,তবে নিশ্চিত আপনি পিছিয়ে যাচ্ছেন।এতটাই পিছিয়ে যাবেন যে,শেষ পযর্ন্ত উঠে দাড়াবার মত শক্তিও আর শরীরে থাকবেনা।তাই সমালোচককে তার সমালোচনা করার সুযোগটুকু দিন।আপনার কাজগুলো আপনি চালিয়ে যান।

জীবনটা আপনার,সিদ্ধান্তও আপনার।আপনি আপনার কাছে কেমন,সেটুকুর বিচার আপনি সর্বক্ষন করুন।আপনার কাছে কোনটা ভুল,কোনটা সঠিক, সেটুকুর যোগফল মিলাতে থাকুন। যদি আপনার সারাদিনের কাজগুলোর মধ্যে খারাপ কাজের সংখ্যাটা বেশি থাকে,আর ভাল কাজের সংখ্যাটা কম থাকে,তবে আগামীকাল থেকে কমপক্ষে একটা করে খারাপ কাজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিন।

নিজেকে নিয়ে নিজেই সমালোচনা করুন।নিজের ভাল মন্দের মাপকাঠিটা নিজেই পরিমাপ করুন।আপনার বিবেক যা সিদ্ধান্ত দিবে,পৃথিবীর কোন মানুষ বা আদালত সেই সিদ্ধান্তটি দিতে পারবেনা।কার কাছে আপনি কেমন সেটা বড় কথা নয়,আপনি আপনার কাছে কেমন সেটাই বড় কথা।

কারো সাথে আপনি মিশতে চাচ্ছেন,তার সাথে বন্ধুত্বসুলভ আচরন করছেন,সন্মান করছেন,তার কাছে বারবার নিজের আত্নসন্মানটুকু বিসর্জন দিয়ে একটা সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাচ্ছেন,কিন্তু সেই মানুষটি আপনার দূর্বলতা,ভাল মানষিকতাকে বারবার ইগনোর করছে।তারপরও আপনি থেমে নেই,আপনার জায়গা থেকে সবটুকু প্রচেষ্টা দিয়ে তার সাথে সখ্য গড়ে তুলতে চাইছেন।

একবার নয় দু-বার নয়,কয়েকবার চেষ্টা করেও কাজ হচ্ছেনা।এবার থামুন!একটু সরে আসুন।মানুষটির সাথে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়ে নিজেকে গুটিয়ে নিন।তার পিছনে সময় নষ্ট করা বন্ধ করে দিন।এটা ভাবুন,আপনার ভাল মানষিকতার যোগ্য সে ছিলনা,আর কোনদিনও যোগ্য করে তোলাও সম্ভব না।

আত্নসন্মান রক্ষার্থে যতদূর সম্ভব পিছিয়ে আসুন।আত্নসন্মানের চেয়ে ব্যক্তিগত বড় সম্পদ আর কিছুই নেই।আত্নসন্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলা লোকদের খুব খুব করে ইগনোর করতে শিখুন।

এই দুনিয়ায় তিন ধরনের মানুষ খুবই অসহায়
  1. যার বাবা নাই, সে বুঝে বাবার অভাব কেমন,
  2. যার মা নাই, সে বুঝে মায়ের অভাব কেমন,
  3. যার বাবা-মা কেউ নাই, সে বুঝে বাবা-মার অভাব।

হে আল্লাহ প্রত্যেকের বাবা-মা কে রহমত করুন,আমিন।

কেউ যদি তোমার সাথে কথা না বলে থাকতে পারে,তবে তার সাথে কথা বলার জন্য পাগলামী গুলো ছেড়ে দাও..কারণ তোমার আকুলতার কারণ সে বুঝবে না..

কেউ যদি তোমাকে কষ্ট দিয়ে স্থির থাকতে পারে,
তবে তাকে নিয়ে অস্থির হওয়া টাকে ভুলে শক্ত হউ!
কারণ,তোমার কষ্ট তাকে কখনো বিচলিত করবে না..

কেউ যদি তোমার মূল্য না বুঝে,তবে তার কাছে বারবার নিজের গুরুত্ব চাওয়া থেকে বিরত থাকো..
কারণ সে কখনোই তোমার কদর করবে না…

কেউ যদি তোমাকে ছাড়াই একা পথ চলতে পারে,তবে তার পথ থেকে সরে দাঁড়াও…
কারণ তুমি তার জীবনে সফর সঙ্গী হবে না..
মোট কথা,কেউ যদি তোমাকে তার জীবনে চায় তবে তাকে আঁকড়ে ধরো..

কেউ যদি তোমাকে ছেড়ে ভালো থাকতে পারে তবে তাকে ভালো থাকতে দাও.

বয়ঃসন্ধী কালের কিছু আবেগের কথা

উঠতি বয়সে প্রায় সব মেয়েদেরই প্রচন্ড বিয়ের মোহ থাকে। এ বয়সে মেয়েরা প্রেমে পড়লেই বিয়ের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠে। এমন কি পালিয়ে বিয়ে করতেও এক পায়ে প্রস্তুত থাকে তারা!

কিন্তু যদি না কারো সাথে দীর্ঘ ও গভীর কোন এফেয়ার থাকে, বয়স বাড়লে, শিক্ষিত হলে, বিয়ের প্রতি তাদের অধিকাংশেরই একটা অনীহা জন্ম নেয়। বাবা মা তাদের জন্য বিয়ের সম্বন্ধ আনলে তারা প্রতিবাদে নাকের জল চোখের জল এক করে ছাড়ে ।

জগতটাকে দেখবার, বয়সটাকে উপভোগ করবার, অভিজ্ঞতাটাকে সমৃদ্ধ করবার, পড়ালেখা করে ক্যারিয়ার গড়বার এক দুরন্ত জেদ চেপে বসে তাদের মনে।

সে সময়ে অনেক ছেলেকে ভালো লাগলেও পছন্দ করবার মতো যোগ্য ছেলেটিকে তারা তখন আর খুঁজে পায় না কিংবা খোঁজার গরজও বোধ করে না।

ইউনিভার্সিটি পাশ করতে করতে বয়স পঁচিশ ছাব্বিশ পার হয়। বিসিএস কিংবা অন্য কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পুরুষদের পাশাপাশি যোগ্যতার প্রমান দেয়ার প্রচন্ড নেশা চাপে তাদের। সে পরীক্ষায় অনেকে সাফল্যও পায়। তারপর চলে নিজের পায়ে দাঁড়াবার, স্বাবলম্বী হবার সংগ্রাম, নিজেকে গুছিয়ে নেয়ার সংগ্রাম।

কিন্তু ততদিনে পদ্মা মেঘনা যমুনার জল গড়িয়ে যায় অনেক। মেঘে মেঘে হয়ে যায় অনেক বেলা। খরচ হয়ে যায় আয়ুর সোনালী অধ্যায়। বিয়ের বাজারে নিজের চাইতে যোগ্য ছেলে খুঁজে পাওয়া তখন দুস্কর হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য।

প্রচন্ড মেধাবী যে মেয়েটি অনার্স মাস্টার্স পাশ করে এমফিলও শেষ করে ফেলে, কিংবা হয়ে যায় বিসিএস ক্যাডার, বিয়ের বাজারে তারচে অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন পাত্রের খোঁজ করতে গিয়ে এক বিশাল ধাক্কা খায় সে!

তিরিশ প্লাস যোগ্য পাত্রগুলি তার তিরিশ প্লাস বয়সটার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে মুখ ঘুরিয়ে নেয়। পাত্রের স্বজনরা তাকে আধুনিক হৈমন্তী’র মর্যাদা দিয়ে বসে।

একুশ বাইশ বয়সের যুবতীর বর্ণিল স্বপ্নগুলি তিরিশ পেরিয়ে বিবর্ণ হয়ে পড়ে। তার একদা উপচে পড়া চকচকে যৌবনের কোথাও কোথাও গোপন মরচে পড়ে। তার বিশাল আর আলো ঝলমলে পৃথিবীতে রাত নামতে থাকে।

পুরুষতান্ত্রিক এই পৃথিবীতে একটা নিরাপদ আশ্রয় আর অবলম্বন ছাড়া যে সে ভীষন অসহায় এতদিন পর এই নির্মম সত্য অনুধাবন করে সে কাঁপতে থাকে ভয়ে আর অনিশ্চয়তায়। স্বামী সন্তান নিয়ে একটা ছোট্ট সংসারের জন্য সে সারা জীবনের কষ্টার্জিত সকল ডিগ্রী ও যোগ্যতা বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত হয়ে পড়ে।

সংগৃহিত: ভালোবাসার গল্প গ্রুপ, ভালোবাসার গল্প পেইজ, ভালোবাসার গল্প ব্লগ ও ভালোবাসার গল্প কবিতা;

আরও ভালোবাসার গল্প আধুনিক যুগের ভালোবাসা ?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *