ফিলিস্তিন ও আল আকসা সম্পর্কে ডা. জাকির নায়েক এর বার্তা
al aksa mosque about jakir naik

ফিলিস্তিন ও আল আকসা সম্পর্কে ডা. জাকির নায়েক এর বার্তা

ফিলিস্তিন ও আল আকসা সম্পর্কে সকল মুসলিমদের যে বার্তা দিলেন ডা. জাকির নায়েকঃ

পৃথিবী জুড়ে যত মুসলিম আছে সবাইকে অনুরোধ করছি এবং আমি সমস্ত মুসলিমকে অনুরোধ করছি, একযোগে সবাই আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই- বোনদের সমথর্ন করুন এবং তাদের জন্য প্রার্থনা করুন ।

আমি বিশ্বজুড়ে সকল মুসলিমদের প্রতি অনুরোধ করছি , মুসলিম দেশ সহ সবাইকে। আমি ইসরায়েলি বাহিনীর অমানবিক কাজের জন্য নিন্দা জ্ঞাপন করছি আর সকল মুসলিমেরই নিন্দা করা উচিত বলে আমি মনে করি ।

সব মুসলিমদের উচিৎ মসজিদে আকসাকে সাপোর্ট করা। যা আমাদের কাছে বিশ্বের তৃতীয় পবিত্র মসজিদ। একত্রে সবাই দাড়ান এবং এই কাজের নিন্দা করুন। আমাদের সমর্থন করতে হবে, এবং মসজিদুল আকসা যেনো মুসলিমদেরই থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সকল মুসলিমদের অনুরোধ করছি মসজিদে আকসার জন্য প্রার্থনা করুন।

দোয়া করুন তাদের জন্য যে ফিলিস্তিন ভাই -বোন যারা বিশ্বের তৃতীয় মসজিদটি রক্ষা করছেন। তাদের জন্য দোয়া করুন তারা যেন ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার জন্য সাহস ও সবর পায় । আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যাতে মসজিদুল আকসা মুসলিমদেরই থাকে এবং আমরা দোয়া করি যাতে আল্লাহ তায়ালা ইসলামের শত্রুদের শিক্ষা দেয়।

হে আল্লাহ আপনি আমাদের ফরিয়াদ কবুল করুন। আমিন।

কেনো মুসলমানের কাছে মসজিদুল আকসা এতোটা গুরুত্বপূর্ণ ?

কেনো মুসলমানের কাছে মসজিদুল আকসা এতোটা গুরুত্বপূর্ণ ?
AL AKSA MOSQUE IMAGE

আমরা অধিকাংশ মানুষই জানিনা যে, কেনো মুসলমানের কাছে মসজিদুল আকসা এতোটা গুরুত্বপূর্ণ ? যেখানে ইহুদিরা সমগ্র ফিলিস্তিনই দখল করে নিয়েছে, সেখানে মাত্র ১৪ একর জায়গার জন্য কেনো এতো অত্যাচার নির্যাতনের পরেও ফিলিস্তিনের মুসলমানরা বারবার মসজিদের দিকে ধাবিত হচ্ছে!!

  1. এখানেই রয়েছে হযরত ইব্রাহিম এবং মূসা (আ) সহ অসংখ্য নবী রাসুলের কবর।
  2. এখানেই আল্লাহর বন্ধু প্রিয় নবী রাসুল ছাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া ছাল্লাম সকল নবী রাসুলদের এবং ফেরেস্তাদেরকে নিয়ে নামাজ পড়ছিলেন। সেই জামাতের ইমাম ছিলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ ছাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া ছাল্লাম, এবং এই জামাতে মতান্তরে প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার নবী রাসুল ছিলেন।
  3. এখান থেকেই হজরত মুহাম্মদ ছাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া ছাল্লাম বোরাকে করে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিলেন।
  4. এই মসজিদের নির্মাণের সাথে জড়িয়ে আছে হজরত আদম আঃ এবং সুলাইমান আঃ এর নাম।
  5. এর সাথে জড়িয়ে আছে খলিফা হজরত উমর (রা) এর সেই বিখ্যাত উটের বিরল ঘটনা।
  6. এখানের সাথেই জড়িয়ে আছে দ্যা গ্রেট সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবীর অসংখ্য স্মৃতি।
  7. এই মসজিদের পাথরের গায়ে লেখা রয়েছে সম্পূর্ণ সূরা ইয়াসিন।
  8. এই মসজিদের জন্য জ্বীনদের দ্বারা পাথর উত্তোলন করা হয়েছে সাগরের তলদেশ থেকে। যা কিনা কোন মানুষের পক্ষে অসম্ভব..!!
  9. এই মসজিদে ২ রাকাআ’ত নামাজ আদায় করার জন্য ২৫ হাজার রাকাআ’ত নামাজের সওয়াব লিখা হবে।
  10. পবিত্র কোরআনে সবচেয়ে বেশি মহান আল্লাহ এই মসজিদ নিয়ে আলোচনা করছেন। তোমাদের কেউ যদি কোনো খারাপ কাজ বা বিষয় দেখে তাহলে সে যেন হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করে দেয়, যদি তা করতে অপারগ হয় তাহলে যেন মুখ দিয়ে তার প্রতিবাদ করে, যদি তাও করতে সক্ষম না হয় তাহলে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে, আর এটাই হচ্ছে ঈমানের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বলতম স্তর। (বুখারি, হাদিস নং: ১৯৪)

আল্লাহ সকল মুসলিম রাষ্ট্র প্রধানদের বিবেককে জাগ্রত করুন, আমিন..!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *