এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র এসাইনমেন্ট উত্তর ৪র্থ সপ্তাহ

এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র এসাইনমেন্ট উত্তর ৪র্থ সপ্তাহ

এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র এসাইনমেন্ট উত্তর ৪র্থ সপ্তাহ ও পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র এসাইনমেন্ট উত্তর pdf . পৌরনীতি ও সুশাসন অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১। যারা খুজছেন আজকের এই পোস্টটি শুধুমাত্র তাদের জন্যই।

সূচিপত্র

Civics Assignment HSC 2021

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আজকের এই পর্বে আমরা এইচএসসি/ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ এর সকল প্রশ্নের উত্তর বিস্তারিত লিখে এবং ছবির মাধ্যমে দিয়েছি।

এসাইনমেন্ট এর উত্তর ব্যাখ্যা করে দেওয়ায় পোস্টটি অনেক বড় হয়েছে। সুতরাং ধিরে ধিরে পড়ুন।

তো চলুন শুরু করা যাক।

HSC Civics 1st Paper Assignment Answers

এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র এসাইনমেন্ট প্রশ্ন:

assignment
অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন:

এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র এসাইনমেন্ট উত্তর শুরু

অ্যাসাইনমেন্ট নির্দেশনা/ বিষয়বস্তঃ

Civics Assignment Topics
  1. মূল্যবোধ ও নৈতিকতা সম্পর্কে বিশ্লেষণ
  2. আইনের উৎস
  3. স্বাধীনতার মূল বিষয়বস্তু
  4. আইন স্বাধীনতা ও সাম্যের পারস্পরিক সম্পর্ক ও গুরুত্ব

পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র এসাইনমেন্ট (ক) উত্তরঃ

1. মূল্যবোধ ও নৈতিকতা সম্পর্কে বিশ্লেষণ করা হলো:

মূল্যবোধ:

যে চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের সামগ্রিক আচার-ব্যবহার ও কর্মকান্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে, তাকেই আমরা সাধারণত মূল্যবোধ বলে থাকি।

মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার-ব্যবহার ও কর্মকান্ড যে সকল নীতিমালার মাধ্যমে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় তাদের সমষ্টিকে সামাজিক মূল্যবোধ বলে।

এম. আর. উইলিয়াম-এর মতে, মূল্যবোধ মানুষের ইচ্ছার একটি প্রধান মানদন্ড। এর আদর্শে মানুষের আচার-ব্যবহার ও রীতি-নীতি নিয়ন্ত্রিত হয় এবং এই মানদন্ডে সমাজে মানুষের কাজের ভালো-মন্দ বিচার করা হয়।”

সমাজ বিজ্ঞানী জেন লেনন-এর মতে, ”সামাজিক মূল্যবোধ বলতে কোনো স্থান বা এলাকার ধর্মীয়, ঐতিহ্যপূর্ণ, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বা জাতীয় গুণাবলিকে বোঝায়, যা ঐ স্থানের অধিকাংশ বা স্বল্পসংখ্যক লোক পালন করেন।”

নৈতিকতা:

নৈতিকতার ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘Morality’। ইংরেজি এই ‘Morality’ শব্দটি এসেছে ‘Moralitas’ ল্যাটিন শব্দ থেকে যার অর্থ সঠিক আচরণ বা চরিত্র।

নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি যা মানুষকে সুকুমার বৃত্তি অনুশীলনে অনুপ্রাণিত করে। নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ মানসিক বিষয়। এটি হলো মানব মনের উচ্চ গুণাবলি।

নৈতিকতা বা নীতিবোধ একান্তভাবেই মানুষের হৃদয়মন থেকে উৎসারিত। নৈতিকতা বা নীতিবোধের বিকাশ ঘটে মানুষের ন্যায়অন্যায়, ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত বোধ বা অনুভূতি থেকে।

নৈতিকতার সাথে তাই মূল্যবোধের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় সমাজে কারও ক্ষতি না করা, কারও মনে কষ্ট না দেয়া, কটুক্তি না করা ইত্যাদি হচ্ছে নৈতিকতা। নৈতিকতা মানুষ পরিবার ও সমাজ থেকে শিখে নেয়।

জোনাথন হেইট-এর মতে, “ধর্ম, ঐতিহ্য এবং মানব আচরণ-তিনটি থেকেই নৈতিকতার উদ্ভব হয়েছে”।

আইন কাকে বলে ?

আইন:

সাধারণ অর্থে কোন নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন বা বিধি-বিধানকে আইন বলা হয়। ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় আইনের ভিন্নভিন্ন অর্থ করা হয়েছে। ফার্সি ভাষায় ’Law’ শব্দটির অর্থ সুনির্দিষ্ট নীতি বা নিয়ম। আইনের ইংরেজি প্রতিশব্দ Law। Law শব্দের অর্থ স্থির বা
অপরিবর্তনীয় এবং সকলের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য।

সমাজের আইন কানুনও স্থির। সমাজ জীবনে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সুস্থ রাষ্ট্রীয় জীবনযাপনের জন্য মানুষকে কিছু কিছু বিধি-নিষেধ ও নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়। এসব বিধিনিষেধ বা নিয়মকানুনকে আইন বলে।

এরিস্টটলের ভাষায়, যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন। টমাস হবস-এর মতে, জনগণের ভবিষ্যৎ কার্যাবলি নির্দিষ্ট করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ যে আদেশ প্রদান করে তাই আইন।

1

পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র এসাইনমেন্ট (খ) উত্তরঃ

2. আইনের উৎস সমূহ সম্পর্কে সুস্পস্ট আলোচনা:

আইনের উৎস:

জন অস্টিনের মতে, আইনের উৎস একটি এবং তা হচ্ছে সার্বভৌমের আদেশ।

অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে, আইনের উৎস হলো ছয়টি। যথা-

  1. প্রথা
  2. ধর্ম
  3. বিচারকের রায়
  4. ন্যায়বিচার
  5. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা ও
  6. আইনসভা।

ওপেনহাইম জনমতকেও আইনের উৎস বলে মনে করেছেন।

নিম্নে আইনের উৎসসমূহ আলোচনা করা হলো:

প্রথা:

আইনের সবচেয়ে প্রাচীন উৎস হলো প্রথা। প্রাচীনকালে কোনো আইন না থাকায় প্রচলিত প্রথা, অভ্যাস ও রীতি-নীতির সাহায্যে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রিত হতো। এইসব রীতি-নীতিই পরবর্তীতে রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত হয়ে আইনের মর্যাদা অর্জন করে। গ্রেট ব্রিটেনের সাধারণ আইন এরূপ প্রথাভিত্তিক।

ধর্ম:

ধর্মীয় অনুশাসন ও ধর্মগ্রন্থ আইনের একটি গুরুত্বপূর্ন উৎস। প্রাচীন ও মধ্যযুগে ধর্মীয় বিশ্বাস মানুষের জীবনবোধের খুব গভীরে নিহিত থাকায় অনেক বিধি-নিষেধ ধর্মকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। এ সমস্ত ধর্মীয় বিধি-নিষেধসমূহ রাষ্ট্রীয় সমর্থন লাভ করে পরে আইনে পরিণত হয়।

বিচারকের সিদ্ধান্ত:

বিচারকরা প্রচলিত আইন অনুসারে বিচার কাজ পরিচালনা করতে গিয়ে কখনো কখনো ব্যর্থ হন। তখন তারা নিজেদের প্রজ্ঞা, বিবেক ও অভিজ্ঞতা থেকে নতুন নতুন আইন সৃষ্টি করেন।

বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা:

প্রখ্যাত আইন বিশেষজ্ঞদের মূল্যবান ও সারগর্ভ আলোচনা, বিশ্লেষণ এবং লিখিত গ্রন্থসমূহ আইনের উৎস হিসেবে কাজ করে।
বিচারকরা যখন কোনো বিতর্কিত জটিল বিষয়ে আইনজ্ঞদের এসব মতামত গ্রহণ করেন তখন তা প্রচলিত আইনের অঙ্গীভূত হয়ে যায়।

ন্যায়বোধ:

দেশে প্রচলিত আইন যখন যুগোপযোগী বিবেচিত হয় না বিচারকরা তখন তাদের শুভবুদ্ধি, সচেতন বিচার-বুদ্ধিমাফিক সেই আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন কিংবা নতুন আইন তৈরি করেন। বিচারকের ন্যায়বোধ থেকে এভাবে অনেক নতুন আইন প্রণীত হয়েছে।

আইন পরিষদ:

আধুনিক রাষ্ট্রের আইনের এক বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে আইন পরিষদ কর্তৃক প্রণীত আইন। আইন পরিষদ শুধু নতুন আইন তৈরি করে না। পুরনো আইন সংশোধন করে তা যুগোপযোগী করে তোলে।

জনমত:

ওপেনহাইম, হল প্রমুখ মনীষী জনমতকে আইনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস বলে উল্লেখ্য করেছেন। আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন প্রকৃতপক্ষে জনমতের অভিব্যক্তি। জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত আইনসভার সদস্যদের প্রধান দায়িত্ব হলো জনমতের যথার্থ প্রতিফলন।

সংবিধান:

সংবিধান আইনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। সংবিধান সরকারের বিভিন্ন বিভাগের ক্ষমতা ও কাজের পরিধি সংক্রান্ত বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত থাকে। সংবিধানের নির্দেশিত পথ ধরে আইনসভা আইন তৈরি করে।

2

পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র এসাইনমেন্ট (গ) উত্তরঃ

3. স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার মূল বিষয়বস্তু:

স্বাধীনতা:

স্বাধীনতা শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ Liberty । Liberty শব্দটি ল্যাটিন ‘Liber’ থেকে এসেছে। যার অর্থ ‘freedom’ বা স্বাধীন। সুতরাং শাব্দিক অর্থে মানুষের ইচ্ছানুযায়ী কিছু করা বা বলার ক্ষমতাকে স্বাধীনতা বলা হয়।

সাধারণত ভাষায় স্বাধীনতা বলতে মানুষের ইচ্ছামত কোনো কিছু করা বা না করার অধিকারকে বোঝায়। এ দৃষ্টিকোণ থেকে অধীনতামুক্ত অবস্থাই স্বাধীনতা।

জন স্টুয়ার্ট মিল-তাঁর ‘Essay on Liberty’ গ্রন্থে বলেছেন, মানুষের মৌলিক শক্তির বলিষ্ঠ, অব্যাহত ও বিভিন্নমুখী প্রকাশই স্বাধীনতা। স্বাধীনতার অর্থ মানুষ কর্তৃক নিজস্ব উপায়ে কল্যাণ অনুধাবন করা।

তিনি আরো বলেন, নিজের ওপর নিজের দেহ ও মনের ওপর ব্যক্তিই সার্বভৌম।

স্বাধীনতার মূল বিষয়বস্তু:

স্বাধীনতার ৭টি মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরা হলো।

  1. ব্যক্তিগত স্বাধীনতা
  2. প্রাকৃতিক স্বাধীনতা
  3. আইনগত স্বাধীনতা:
  4. সামাজিক স্বাধীনতা
  5. রাজনৈতিক স্বাধীনতা
  6. অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও
  7. জাতীয় স্বাধীনতা:

ব্যাখ্যাঃ

১। ব্যক্তিগত স্বাধীনতা:

যেসব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে ব্যক্তি তার ব্যক্তিত্বের পূর্ণাঙ্গ
বিকাশ ঘটাতে পারে, তাকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা বলে। যেমন-ইচ্ছামতো চলাচলের
অধিকার, ধর্ম পালনের অধিকার, সম্পত্তি ভোগের অধিকার প্রভৃতি।

২। প্রাকৃতিক স্বাধীনতা:

রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বে মানুষ প্রকৃতির রাজ্যে যে স্বাধীনতা উপভোগ
করতো, তাকে প্রাকৃতিক স্বাধীনতা বলে।

৩। আইনগত স্বাধীনতা:

রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত, সংরড়্গতি ও নিয়ন্ত্রিত স্বাধীনতাকে
আইনগত স্বাধীনতা বলা হয়। স্বাধীনতা নির্দিষ্ট, সুস্পষ্ট এক আইন দ্বারা পরিচালিত।

৪। সামাজিক স্বাধীনতা:

সমাজে সভ্য-সুন্দর জীবনযাপন করতে গেলে যে অনুকূল
পরিবেশ ও স্বাচ্ছন্দ্য প্রয়োজন তাকে সামাজিক স্বাধীনতা বলে। যেমন-চলাফেরার
স্বাধীনতা, জীবনযাত্রার স্বাধীনতা ইত্যাদি।

৫। রাজনৈতিক স্বাধীনতা:

ভোটদানের অধিকার, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অধিকার,
নিরপেড়্গভাবে রাজনৈতিক মতামত প্রকাশের অধিকার, সরকারি চাকরি লাভের
অধিকার ইত্যাদি হলো রাজনৈতিক স্বাধীনতা।

৬। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা:

অর্থনৈতিক স্বাধীনতার অর্থ যোগ্যতা ও সামর্থ্য অনুযায়ী
জীবিকা নির্বাহের স্বাচ্ছন্দ্য ব্যবস্থা এবং দৈনন্দিন অভাব, অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি।

৭। জাতীয় স্বাধীনতা:

বৈদেশিক শাসনের নাগপাশ থেকে মুক্তি লাভ করে যখন একটি
জাতি পূর্ণ সার্বভৌমত্ব অর্জন করে তখন তাকে জাতীয় স্বাধীনতা বলে।

3

পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র এসাইনমেন্ট (ঘ) উত্তরঃ

4. আইন, স্বাধীনতা ও সাম্যের পারস্পরিক সম্পর্ক

সাম্যঃ

সাধারণ অর্থে সাম্য বলতে বোঝায় সব মানুষ সমান। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নীতিগতভাবে স্বীকার করা হয় যে, সকল মানুষই সমান। কিন্তু বাস্তবে শারীরিক ও মানসিক গঠন, ক্ষমতা ও যোগ্যতার পার্থক্যের কারণে মানুষে মানুষে পার্থক্য তৈরি হয়।

একজন ডাক্তার এবং একজন কুলি সমাজের কাছ থেকে সমপরিমাণ মর্যাদা ও স্বীকৃতি দাবি করতে পারে না। পৌরনীতিতে ’সাম্য’ কথাটির অর্থ হচ্ছে সুযোগ-সুবিধাদির সমতা। জাতি-ধর্ম-বর্ণ, স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলকে সমান সুযোগ-সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থাকে সাম্য বলে।

অধ্যাপক লাস্কির মতে, “সাম্যের অর্থ হলো প্রথমত সব ধরণের বিশেষ সুযোগসুবিধার অনুপস্থিতি এবং দ্বিতীয়ত সকলের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা উন্মুক্ত রাখা।”

বার্কার-এর মতে, ”সাম্য কথাটির অর্থ সুযোগ-সুবিধা বা অধিকার বণ্টনের ড়্গেেত্র
কোনো প্রকার পার্থক্য সৃষ্টি না করা।

আইন স্বাধীনতা ও সাম্যের পারস্পরিক সম্পর্ক ও গুরুত্ব সুস্পষ্টভাবে তুলে ধর।

অথবা, আইন স্বাধীনতা ও সাম্যের পারস্পরিক সম্পর্ক কীভাবে মূল্যবোধ ও নৈতিকতাকে প্রভাবিত করে বিশ্লেষণ কর

উত্তরঃ

আইনের, স্বাধীনতা এবং সাম্যের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ

আইন স্বাধীনতাকে সহজলভ্য করে তোলে। আইনের নিয়ন্ত্রণ ছাড়া যথার্থভাবে স্বাধীনতা ভোগ করা যায় না। আইনের কর্তৃত্ব আছে বলেই ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব বিকাশের অনুকূল পরিবেশ গড়ে ওঠে। আইনের অবর্তমানে স্বাধীনতা স্বেচ্ছাচারিতায় পরিণত হয়।

আইন শাসকগোষ্ঠীকে স্বেচ্ছাচারিতার হাত থেকে জনগনকে রক্ষা করে। স্বাধীনতাকে রক্ষা করা এবং সকলের নিকট উপভোগ্য করে তোলাই আইনের লক্ষ্য।

আইন সাম্যকে অর্থবহ করে তোলে। রাষ্ট্র আইন প্রয়োগ করে অসাম্যকে দূর করতে পারে। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে যুগে যুগে অনেক আইন সহায়তা করছে।

সাম্য ও স্বাধীনতার সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। সাম্য নিশ্চিত করার জন্য স্বাধীনতার প্রয়োজন। স্বাধীনতার শর্ত পূরণ না হলে সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয় না। আবার স্বাধীনতাকে ভোগ করত চাইলে সাম্য প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সাম্য ও স্বাধীনতা একই সাথে বিরাজ না করলে গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করা সম্ভব হয় না।

আর. এইচ. টনি-এর মতে, “স্বাধীনতা বলতে যদি মানবতার নিরবিচ্ছিন্ন সম্প্রসারণ বোঝায়, তাহলে সেই স্বাধীনতা সাম্যভিত্তিক সমাজেই শুধু সম্ভব।”

সুতরাং বলা যায়, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্যের সম্পর্ক অত্যšত গভীর। আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য একে অপরের পরিপূরক ও সহায়ক। আইন না থাকলে স্বাধীনতা ভোগ করা সম্ভব নয়। আবার স্বাধীনতাকে ভোগ করতে হলে সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে হয়।

4

কিছু কথাঃ আমরা প্রতিনিয়ত সকল শ্রেনীর সকল সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও নির্ভূল উত্তর প্রদান করে থাকি। প্রতিদিন wbangla.com ভিজিট করে আপডেট খুজুন। এবং আমাদের সাথে ফেইসবুকে যুক্ত হতে এখানে ক্লিক করুন

অ্যাসাইনমেন্ট সংক্রান্ত সমস্যা যেমন ভুল পেলে এবং তা সংশোধন করার প্রয়োজন হলে এখানে কমেন্ট করে আপনার মতামত দিন ।

সকল পৌরনীতি ও সুশাসন অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১

যেমনঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র ১ম সপ্তাহ, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র ২য় সপ্তাহ, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র ৩য় সপ্তাহ,পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র ৪র্থ সপ্তাহপৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র ৫ম ও অন্যান্য সকল সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর অর্থাৎ আমাদের ওয়েবসাইটেই পাবেন।

এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র ৫ম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট উত্তর

ধন্যবাদ।

Check Also

বিএম ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২ ১১তম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট উত্তর

বিএম ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২ ১১তম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট উত্তর

এইচএসসি বিএম ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২ ১১তম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ । এইচএসসি বিএম …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *