পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা জেনে নিন।
পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা

পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা জেনে নিন।

পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা:

আজ আমরা আপনাদের জানাবো পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা কেমন থাকতে হবে এই সম্পর্কে।  প্রথমেই জানিয়ে রাখি,  বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির চাকরি গুলোর মধ্যে পররাষ্ট্র ক্যাডার বাংলাদেশের অন্যতম একটি চাকরি।  পররাষ্ট্র ক্যাডার হতে পারলে সম্মানের শেষ নাই।  কিন্তু অনেকেই জানেনা পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা কেমন প্রয়োজন।  আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ বললে আপনি জানতে পারবেন পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা  সম্পর্কে। পররাষ্ট্র ক্যাডার সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় আমাদের এই পোস্টে তুলে ধরা হয়েছে। 

পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা
পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা

প্রথমেই বলেছি পররাষ্ট্র ক্যাডার বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রথম শ্রেণির চাকরি।  পররাষ্ট্র মানেই হচ্ছে অন্য রাষ্ট্র।  তাই অন্যসব ক্যাডারের পোস্টিং বাংলাদেশের মধ্যে হলেও পররাষ্ট্র ক্যাডারের পোস্টিং হয়ে থাকে দেশের বাইরে।  পলাশ ক্যাডার হওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই যে কোন বিষয়ে অনার্স তথা সম্মান ডিগ্রী অর্জন করতে হবে।  এর পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় ভালো দক্ষতা থাকা আবশ্যক। যেহেতু পররাষ্ট্র পোস্টিং হবে ভিন্ন কোন দেশে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজি ভাষায় কথা বলার দক্ষতা থাকতে হবে। বিসিএস পরীক্ষায় উর্ত্তীন্ন হওয়ার সাপেক্ষে পররাষ্ট্র ক্যাডারের অনুপাতে নাম্বার অর্জন করতে হবে।  এই নাম্বার অর্জন করতে পারলে আপনি লাভ করতে পারবেন পররাষ্ট্র ক্যাডার। 

পররাষ্ট্র ক্যাডার

পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা
পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা

পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা কেমন থাকতে হবে এই বিষয়ে তো জানতে পারলাম। এবার জেনে নেই পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার পরের ধাপ গুলো। বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারের চাকরী লাভ করতে পারলে আপনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব হিসেবে যোগদান করবেন।  চাকরীর প্রথম অবস্থায় আপনার কাজের চাপ অনেক বেশি থাকবে। টাইপিং থেকে শুরু করে সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময় পার্লামেন্টের ডিউটি করতে হবে।  বাসায় যাওয়ার জন্য গাড়ি সার্ভিস পাবেন অর্থাৎ চলাচলের জন্য মাইক্রোবাস সার্ভিস দেওয়া হবে। পররাষ্ট্র ক্যাডারের বিভাগীয় ট্রেনিং হয়ে থাকে ঢাকা বেইলি রোডে। পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা সবাই অর্জন করতে পারে না ফলে অনেকের আশায় থাকা সত্ত্বেও পররাষ্ট্র ক্যাডার  হওয়ার সফলতা কম মানুষেরই হয়ে থাকে। 

চাকরি স্থায়ীভাবে হলে আপনাকে পদায়নের জন্য দূতাবাসে পাঠানোর বিবেচনা করা হবে।  সেখানে থার্ড সেক্রেটারি হিসেবে যোগ দিতে হবে। ৬ বছর  কাজ করার পরে তিন বছরের জন্য বাংলাদেশের ঢাকায় পোস্টিং পাবেন।  আগামীতে এভাবেই চক্রাকারে চলতে থাকবে। 

দূতাবাসে পদায়ন করা হলে আপনাকে দেশের নিয়মিত সেলারি পাশাপাশি ফরেন ভাতা (মাসে ১,২০০ ডলার), বাসা ভাড়া (বছরে ২০০০০ ডলার), ২ জন ছেলেমেয়ের লেখাপড়ার খরচ দেওয়া হবে, পরিবারের চিকিৎসার ৯০% খরচ ও বিনোদন ভাতা হিসেবে (মাসিক ৩০০ ডলার) পাবেন।

যদিও এই অর্থ গুলো দেশে আনতে আপনাকে ট্যাক্স দিতে হবে। কিন্তু পোষ্টে থাকা অবস্থায় ট্যাক্স ছাড়া গাড়ি কিনতে পারবেন। দেশি-বিদেশি অনেক ট্রেনিং রয়েছে এই বিষয়ে।  ট্রেনিং থেকেও মোটামুটি ভাল অঙ্কের টাকা পকেটে ভরতে পারবেন। পররাষ্ট্র ক্যাডারে লোকবল কম থাকায় প্রমোশনের সুযোগ খুবই ভালো। পররাষ্ট্র হওয়ার সুযোগ অনেকেরই থাকে তবে আপনার যদি পররাষ্ট্র ক্যাডার পছন্দ হয়ে থাকে তাহলে লেখাগুলো আবার পড়ে নিবেন।  

বর্তমানে পররাষ্ট্র ক্যাডার পদে লোকবলের সংখ্যা কম থাকায় পদোন্নতির সুযোগ ভালো। প্রায় সবাই  রাষ্ট্রদূত হয়ে থাকে।  রাষ্ট্রদূতরা যেহেতু বিদেশে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে থাকে তাই অন্যরকম একটি সম্মান পাবেন তাদের কাছে।  পাশাপাশি দেশের বড় বড় ব্যক্তিবর্গের সাথে সাক্ষাৎ পাবেন। তাই  কষ্ট করে একবার পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারলে আপনার জীবন পরিবর্তন হয়ে যাবে।  

ভাইভা টিপস: অনেকেই পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা অর্জনের পর একটি জায়গাতে গিয়ে ভুল করে সেটা হল ভাইবা। ভাইভা দেওয়ার সময় সতর্ক থাকতে হবে যেন কোন ভাবেই মুখ থেকে আঞ্চলিক ভাষা প্রকাশ না পায়।  কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনভাবে আঞ্চলিক টান না এসে যায়।  প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় সর্বদা শুদ্ধ উচ্চারণে কথা বলা খুবই জরুরী।  এজন্য আগে থেকেই শুদ্ধ ভাষায় কথা বলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।  ইংরেজি বলার সময় উচ্চারণের বিষয়ে খুবই সতর্ক থাকতে হবে যেন ভুল না হয়। 

বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারের সুযোগ-সুবিধা ও ভবিষ্যৎ কি?

বিসিএস পরীক্ষার আবেদন করার সময় ক্যাডার চয়েস করে দিতে হয়।  সবার চাহিদা আলাদা হওয়ায় ক্যাডার চয়েস বা পছন্দক্রম একজনের আলাদা হওয়াই স্বাভাবিক। পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা  অর্জনের পর বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।  

পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার জন্য আপনাকে কোন কোন ধাপ অতিক্রম করতে হবে এ নিয়ে আমরা পূর্বেই আলোচনা করেছি এই পোষ্টের উপরের দিকে।  আমাদের এবারের আলোচনা পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা অর্জনের পরের বিষয়গুলো নিয়ে। 

বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারের এন্ট্রি লেভেলের মধ্যে সহকারি সচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।  কূটনৈতিক সম্পর্ক তৈরিতে বাংলাদেশ  সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সাথে বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ।  অধিকাংশ বিসিএস পরীক্ষার্থীর পছন্দের তালিকায় পররাষ্ট্র ক্যাডার উপরের দিকে থাকে। 

এক নজরে বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডার

এন্ট্রি লেভেলে সাধারণ পদবী: সহকারী সচিব

বিভাগ: পাবলিক সার্ভিস

প্রতিষ্ঠানের ধরন: সরকারি

ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল-টাইম

এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য অভিজ্ঞতা: ০ বছর

এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য মূল বেতন: ৳২২,০০০ টাকা

এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য বয়স: ২১ থেকে ৩০ বছর

মূল দক্ষতা: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক জ্ঞান এবং যোগাযোগের দক্ষতা থাকতে হবে

বিশেষ দক্ষতা: সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা, মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা

একজন সহকারী সচিব (পররাষ্ট্র ক্যাডার) কোথায় কাজ করেন?

পররাষ্ট্র ক্যাডার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর প্রত্যেক সহকারী সচিবকে (পররাষ্ট্র ক্যাডার) দুই ধাপে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হয়। এর মধ্যে ১টি পর্ব থাকে বাংলাদেশ জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। আরেকটি হচ্ছে বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে (সুগন্ধা)।

প্রশিক্ষণ শেষ করার পর সহকারি সচিবদের বিশেষ জ্ঞান ও ব্যক্তিগত পছন্দের উপর ভিত্তি করে আলাদা আলাদা উইংয়ে তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। যেমন: 

  • প্রশাসন উইং
  • প্রটোকল উইং
  • গবেষণা উইং

একজন সহকারী সচিব (পররাষ্ট্র ক্যাডার) কাজের ধরনের কী?

উইংয়েরউপর ভিত্তি করে একজন সহকারী সচিবের কাজের ধরন নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।  অঞ্চল ভিত্তিক উইংগুলোর সাধারণত এক হয়ে থাকে। আরেকটি বিষয় জানিয়ে দেই, প্রশিক্ষণের সাথে সাথে কোন সহকারী সচিবকে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে নিয়োগ দেওয়া হয় না। 

অঞ্চলভিত্তিক উইংগুলোতে আপনার কাজ হতে পারেঃ

  • নির্দিষ্ট অঞ্চলের উপর নির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করতে হবে;
  • প্রটোকল উইংয়ের ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে আগত অতিথিবৃন্দদের দেখাশোনা করার;
  • গবেষণা উইংয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিকল্পনা বা কোন চুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় খসড়া তৈরি করা;
  • প্রশাসন উইংয়ের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে সাহায্য সহযোগিতা করা।

বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারে নিয়োগ পদ্ধতি কী?

পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা অর্জনের পর আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করে বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারের নিয়োগ পেতে করতে হবে। 

  • বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ থাকতে হবে (২০০ নম্বরের পরীক্ষা);
  • বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ হবে (৯০০ নম্বরের পরীক্ষা);
  • সরাসরি মৌখিক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে হবে (২০০ নম্বরের পরীক্ষা)। 

উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোর মধ্য দিয়ে পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা অর্জিত হয়ে থাকে। উল্লেখ্য যে, মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্ত ফলাফলে কোন পরীক্ষার্থী কোন ক্যাডার হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন অথবা নন-ক্যাডার চাকরির জন্য বিবেচ্য হলে, তার উপরও পররাষ্ট্র ক্যাডার নিয়োগ পাওয়া নির্ভর করে। 

একজন পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা কি কি?

এবার আলোচনা করব আপনার প্রশ্নের বিস্তারিত। আপনার প্রশ্ন যদি হয়ে থাকে পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে। তাহলে এই অংশে আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন। 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতার মধ্যে অন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হচ্ছে, দেশের কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি কিংবা স্বীকৃত বোর্ড হতে এইচএসসি পাশ করার পর ৪ বছর মেয়াদি শিক্ষা সমাপনী ডিগ্রি বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

আপনার শিক্ষাজীবনে একাধিকবার তৃতীয় বিভাগ/ শ্রেণী বা সমমানের জিপিএ থাকলে আপনি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

বয়সঃ সাধারণ ও কোটাভুক্ত পরীক্ষা জন্য ২১-৩০ বছরের মধ্যে  নিয়োগ পেতে হবে।  অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পুত্র- পুত্র-কন্যাদের জন্য দুই বছর বাড়িয়ে ২১-৩২ বছর পর্যন্ত।

একজন পররাষ্ট্র ক্যাডারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়? 

  • আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে;
  • যোগাযোগের দক্ষতা (বিশেষ করে ইংরেজি ভাষার উপর ভালো দক্ষতা থাকতে হবে);
  • বিশ্লেষণী ক্ষমতা থাকতে হবে;
  • সমস্যা সমাধানের দক্ষতা থাকা লাগবে;
  • অঞ্চলভিত্তিক উইংয়ে কাজ করে সে অঞ্চল নিয়ে ভালো ধারণা থাকতে হবে।

উল্লেখ্য যে, কূটনীতিক আলোচনার সময় আপনাকে আপনার মাতৃভূমি বাংলাদেশের তথা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে।

একজন পররাষ্ট্র ক্যাডারের মাসিক আয় কেমন?

একজন পররাষ্ট্র ক্যাডারের জন্য জাতীয় বেতন স্কেলের নবম গ্রেড অনুযায়ী বেতন পান ৳২২,০০০। মূল বেতনের পাশাপাশি বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা দেওয়া হয়ে থাকে। কাজে জন্য বিদেশ ভ্রমণে  আলাদা সম্মানিত সকল পররাষ্ট্র ক্যাডারের জন্য। 

একজন পররাষ্ট্র ক্যাডারের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

পররাষ্ট্র ক্যাডারের জন্য সরকার নির্ধারিত পদবিন্যাস হলোঃ

  • সহকারী সচিব
  • সিনিয়র সহকারী সচিব
  • পরিচালক
  • মহাপরিচালক
  • সচিব

আপনার চাকরির অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ সরকার আপনাকে কোন দেশের দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার প্রমোশন হবে। এক কথায় বলতে গেলে একজন পররাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর চাকুরীজীবী। মূল বেতনের  পাশাপাশি অফিসে যাতায়াতের জন্য মাইক্রোবাস বরাদ্ধ থাকে।  এছাড়াও বাড়ি ভাড়া বিভিন্ন ভাতা প্রদান করা হয়ে থাকে। 

কাজের জন্য বিদেশ ভ্রমণে রয়েছে আলাদা সম্মানী।  দেশের প্রথম শ্রেণির চাকরি হওয়ার সুবাদে অনেক বড়পর্যায়ের লোকেদের সাথে সাক্ষাৎ করার সুযোগ রয়েছে।  এমন কি বিদেশ ভ্রমণে গেলেও সেখান থেকে পাবেন আলাদা একটি সম্মান। সবকিছু মিলিয়ে একজন পররাষ্ট্র ক্যাডারের জন্য তার ক্যারিয়ার হতে পারে খুবই চমৎকার। 

পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা
পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা

আমাদের আজকের এই পোস্টে পররাষ্ট্র ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে বিভিন্ন  বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।  এ বিষয়ে আপনার কোন মতামত  বা প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.